তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা (সকল শ্রেণীর)

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আপনারা কি জানতে চান তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশের রচনা সম্পর্কে? আজকে আমরা তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা তুলে ধরব। তোমরা এই রচনাটি ভালোভাবে মুখস্ত করে পরীক্ষা দিতে গেলে যদি কমন আসে তাহলে নিচের রচনাটি লিখলে সর্বোচ্চ ওঠার সম্ভাবনা থাকবে।
ইন্টারনেটের তথ্য বিপ্লব ও বাংলাদেশ
তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা সম্পর্কে সকল শ্রেণীর জন্য নিচের রচনাটি ব্যবহার করা যাবে। তুমি যে ক্লাসের শিক্ষার্থী হও না কেন নিচের এই রচনাটি তোমার জন্য উপযুক্ত।

সূচিপত্রঃ তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা (সকল শ্রেণী)

ইভিভিটিভি

তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা নিজের তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশের রচনাটি আপনার জন্য উপযুক্ত আপনি যে ক্লাসের হন না কেন। আপনার স্কুল অতঃপর কলেজে যদি তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা সম্পর্কে লিখতে দেয়া হয় তাহলে আপনি নিচের রচনাটি লিখে সর্বোচ্চ মার্ক তুলতে পারবেন। সং আজকের এই রচনাটির মধ্যে থাকবে ভূমিকা তথ্য প্রযুক্তি কি, তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ, তথ্যপ্র প্রচারের সরকারের পদক্ষেপ, তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নে করণীয়, উপসংহার। চরণ বেশি দেরি না করে বিস্তারিত শুরু করা যাক।

তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ

ভূমিকঃ বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তথ্য প্রযুক্তি। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির ফলে পৃথিবী আজ গ্লোবাল ভিলেজ প্রণীত হয়েছে। এক বিংশ শতাব্দীর এগিয়ে যাবার আহবান কে তথ্য প্রযুক্তি করেছে সূঢ়হ। তথ্য প্রযুক্তি আগামী দিনের নেতৃত্ব এবং বুবলু পিক পরিবর্তন সাধন করবে।
তথ্যপ্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য: তথ্য প্রযুক্তির তাৎপর্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য গুলো হচ্ছে-

১. তথ্যপ্রযুক্তিতে সময় পারলে কাজের খরচ কমে।

২. তথ্য প্রযুক্তি উৎপাদনের ব্যয় কমায়।

৩. লেনদেন ও তথ্য যোগাযোগের দ্রুত পরিবর্তন সাধন করে।

৪. তথ্য প্রযুক্তি ব্যবসা-বাণিজ্য লাভজনক প্রক্রিয়া সৃষ্টি করে।

৫. চিকিৎসা শিক্ষা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ডের গতি বৃদ্ধি ও সহজ করে তথ্যপ্রযুক্তি।

তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ : বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে তথ্য প্রযুক্তি। এর ব্যবহার জীবনযাত্রার মান বদলে দিতে সক্ষম। এই ধারাবাহিকতায় স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কম্পিউটার শিক্ষা পরিবর্তন করা হয়েছে।

প্রতিনিয়ত কোন দেশে কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়ছে তাই হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার তৈরির প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক। দেশের প্রায় বিভিন্ন স্থানে সাইবার মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে ই-কমার্স এর বড় সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো অতি দ্রুত কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করেছে।

তথ্য প্রযুক্তি প্রসারের সরকারের পদক্ষেপ : দেশকে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবস্থান উজ্জ্বল করতে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশাসকের বিকল্প নেই। তাই বর্তমান সরকার ও তথ্য প্রযুক্তি বিকাশে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যেমন:

১. তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করানোর জন্য অভ্যন্তরী নিয়ে যোগাযোগ উন্নত করা হয়েছে যার ধারাবাহিকতার ডিজিটাল টেলিভিশন ও ইন্টারনেট প্রতিটি জেলায় পৌঁছে গেছে।

২. সরকার তথ্য প্রযুক্তি নীতিমালা বাস্তবায়নের ৭০ হাজার বর্গফুটের আইসিটি ইনকিউবেটর স্থাপন করেছেন ঢাকার প্রাণকেন্দ্র কারবান বাজারে।

৩. বিদেশে দেশের সফটওয়্যার এর মার্কেটিং বৃদ্ধির জন্য ‘আইসিটি বিজনেস প্রমোশন সেন্টার’স্থাপন করা হয়েছে।

৪. কালিয়াকৈর এ ২৫৬ জমিতে হাইটেক পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে।

৫. তথ্যপ্রযুক্তিকে উন্নত জনবল তৈরির জন্য প্রাথমিক থেকে উচ্চতর শ্রেণীর পর্যন্ত পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে সরকার। এছাড়াও শিক্ষা ক্ষেত্রে স্নাতক শ্রেণীতে আইসিটির স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নে করণীয়


ক. এই যুগে প্রতিযোগিতায় তরুণ সমাজকে তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।

খ. গ্রামীণ যুব শান্তি কে ব্যবহার করতে গ্রাম ভিত্তিক লাগসই তথ্য প্রযুক্তি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

গ. টেলি যোগাযোগ ব্যবস্থা তথ্য অবকাঠামোর মেরুদন্ড। টেলিযোগাযোগ খরচ সাধারণ মানুষের নাগালে আনতে হবে। দ্রুতগতির তথ্য সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাক-বোনের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে তুলতে হবে।

উপসংহারঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বর্তমান বিশ্বে উন্নয়ন কর্মকান্ডের মূল হাতিয়ার। এক বিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিশ্বে টিকে থাকতে হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও যুবকদের বেকারত্ব কমাতে তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। দেশে তথ্য প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটাতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

একই রকম আরেকটি রচনা

অনেকেই তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ এই রচনাটি লেখার সঙ্গে সঙ্গে আরও ভিন্ন ধরনের রচনা খুঁজে থাকেন। তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনার সঙ্গে মিল রেখে একই রকম আরেকটি রচনা তুলে ধরা হলো। রচনাটি যে বিষয় তা হল:
তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা

ইন্টারনেট রচনা

অথবা, বিশ্ব যোগাযোগ ইন্টারনেটের ভূমিকা
অথবা, ইন্টারনেটের কুফল
অথবা, ইন্টারনেট ও আজকের পৃথিবী
অথবা, ইন্টারনেটের তথ্য বিপ্লব ও বাংলাদেশ
অথবা, আধুনিক শিক্ষায় ইন্টারনেট

ভূমিকাঃ বিশ্বজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বর্তমানে ইন্টারনেট একটি জনপ্রিয় ও পরিচিত নাম। এটি বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে অনেক যুগান্তকারী বিপ্লব সাধন করেছে। এর মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্তের কম্পিউটার থেকে অফার প্রান্তের কম্পিউটার ছবিসহ যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ ও প্রেরণ করা যায়। এক যুগ যোগাযোগের ক্ষেত্রে যা ছিল অসম্ভব বা অকল্পনীয়। বর্তমানে তা নিমিষেই সম্ভব হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বের বহুল আলোচিত গতির ময়তার এক মাইল ফলক হচ্ছে বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার- ইন্টারনেট।

ইন্টারনেট কিঃ মূলত ইন্টারনেট কোন একক বিষয় নয়। অসংখ্য নেটওয়ার্ক দ্বারা গঠিত কম্পিউটার ইন্টারনেট বলে নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেট বলে। অর্থাৎ, ইন্টারনেট হল নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক। বর্তমানে 140 টি দেশের প্রায় 40 বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন বা তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব।

ইন্টারনেটের উদ্ভব ও বিকাশঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা রক্ষার জন্য ১৯৬৯ সালে নিজস্ব নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে প্রথম ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা মাত্র চারটি কম্পিউটারের মাধ্যমে গড়ে তুলেছিল প্রথম অভ্যন্তরে যোগাযোগ। এর প্রধান উপদেশ ছিল পারমাণবিক আক্রমণ ঠেকানো। এই কাজের জন্য তারা বৈজ্ঞানিক তথ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য আদান প্রদান করত এই ব্যবস্থার মাধ্যমে।

তিন বছর যেতে না যেতেই এই ব্যবস্থা সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে আরোহন করে। কম্পিউটারের সংখ্যা চার থেকে ২৩ এ পৌঁছায়। ৭০ ও আশির দশকে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়। জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন সবার জন্য এক অন্য রকম যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করে, যার নাম দেওয়া হয় ‘নেস্ফনেট’।

এভাবে ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ফলে কেন্দ্রীয় ’নেটওয়ার্ক’গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ৯০ দশকের শুরুতে এই নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয় এবং বিশ্ববাসী পরিচিত হয় ‘ইন্টারনেট’-এর সঙ্গে। বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি সদস্য এর সঙ্গে যুক্ত এবং প্রতি মাসে ব্যবহারকারী সদস্য সংখ্যা শতকরা ১০ ভাগ হারে বাড়ছে।


বাংলাদেশ ইন্টারনেট ব্যবস্থাঃ বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার প্রথম শুরু হয় ১৯৯৩ সালে এগারোই (১১) নভেম্বর। সে সময় ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয় অনলাইন এর মাধ্যমে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-প্রফেস্ট, ছক, ট্যাব, আগ্র ইত্যাদি। এর দ্বারা বিশাল জগতের সব সম্পদ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি এবং ইমেইলের কেবল ডাউনলোড ও আপলোড ছাড়া আর কিছু করা সম্ভব হয়নি।

কিন্তু বেশ কিছুদিন আগে বাংলাদেশ অনলাইন ইন্টারনেট সার্ভিস এ প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে। ১৯৯৬ সালে ৪ই জুন ISN প্রথম অনলাইন ইন্টারনেট চালু করে VSAT চালু করার মাধ্যমে। এরপর গ্রামীণ সাইবার নেট, ইউ অনলাইন BRAC, BDMALL, AGNI SYSTEM ইত্যাদি সংস্থাসহ প্রায় 12 টি সংস্থা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে কাজ করে।

বাংলাদেশে এখন কম্পিউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়েছে। প্রদানের জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে (আই এস এন, ব্র্যাক, বিডি মেইল, বিডি কম অনলাইন লি, কাইফনেট ইত্যাদি) প্রাথমিকভাবে এটি নির্ধারিত ফি গ্রহণ করে। এই খরচ এমন প্রতিযোগিতামূলক প্রতিদিনেই কমছে। এছাড়া সরকারিভাবে এখন ইন্টারনেট সুবিধা নেবে চিন্তা ভাবনা চলছে বলে সরকারি সূত্রে জানা যায়।

ইন্টারনেটের উপকারিতাঃ বর্তমানে ইন্টারনেটের গুরুত্ব অপরিসীম। ইন্টারনেটের মাধ্যমে নানারকম সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন : তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ, শিক্ষা, বিপণন বিশ্বের খবরা খবর জানা, অফিস ব্যবস্থাপনা, বিনোদন, চিকিৎসা সেবা ইত্যাদি। মহাকাশ গবেষণায়ও বিজ্ঞানীদের অনেক সাহায্য সহযোগিতা প্রদান করছেন। বর্তমানে ব্যাংকেও ইন্টারনেটের ব্যবহৃত হচ্ছে। মানুষ এখন জটিল মামলায় আইনের পরামর্শ পেতে বিদেশি আইনজ্ঞদের শরণাপন্ন হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে।

ইন্টারনেট আমাদের সামনে এক দারুন বিস্ময়। গুগল সার্চ দিয়ে প্রায় যে কোন তথ্য আমরা অনায়াসে পেতে পারি। আজকাল প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। ইন্টারনেট সাহায্যেই আমরা যেসব সাইটে ঢুকে যাবতীয় তথ্য আমরা সেখান থেকে পেতে পারি। ইউটিউব এর মাধ্যমে ভিডিও মুভি গান বিভিন্ন অনুষ্ঠান ধর্মীয় আলোচনায় ইত্যাদি দেখতে ও শুনতে পারি।

দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বই, জার্নাল, পত্র-পত্রিকা ইত্যাদি অনায়াসে ঘরে কিংবা অফিসে বসে পড়া যায়। শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনায় অনেক বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভে ইন্টারনেটের সহযোগিতা নিতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক টুইটার ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই বলা যায়, বর্তমান যুগে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেটের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।

ইন্টারনেটের অপকারিতাঃ ইন্টারনেটের যেমন অনেক সুবিধা বা উপকারিতা আছে, তেমনি আছে অনেক অপকারিতা। বর্তমান তরুণ সমাজ ইন্টারনেটের মাধ্যমে যতটুকু লাভবান হচ্ছে তার চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কেননা তারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন খারাপ কাজের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে যা কাম্য নয়। ইন্টারনেটের অপকারিতা স্বরূপ নিজে আলোচনা করা হলো:

১. ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করা সম্ভব। কিন্তু সব সময় সেসব তথ্য নির্ভুল ও সত্য হয় না। এর মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং ধোকা দেওয়া যায়।

২. এটি ব্যবহার করে সহজেই পর্নো ছবি দেখা যায়। আমাদের তরুণ সম্প্রদায় এসব অশ্লীলতায় ধীরে ধীরে ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এসব কারণে মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ঘটছে।

৩. কম্পিউটার হ্যাকাররা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের গোপন ও অত্যন্ত মূল্যবান তথ্য চুরি করতে পারে। এতে ব্যবসায়িক কোম্পানিগুলো চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৪. ইন্টারনেটের মাধ্যমে জুয়া খেলা যায়। অনেকে এই জুয়া খেলার অতিমাত্রায় আসক্ত হয়ে পড়ে এবং এটি একটি অত্যন্ত খারাপ অভ্যাসে পরিণত হয়।

৫. 1988 সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালোফনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বোর্ড ইচ্ছাকৃতভাবে ইন্টারনেট ওয়ার্ম নামে যে ভাইরাস সৃষ্টি করেছিল তা তারা হাজার হাজার কম্পিউটার বিকল হয়ে পড়ে।
৬. বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যাকলাপ বা ইংরেজিতে যাকে বলা হয় চ্যাটিং করা যায়। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক কথাবার্তা ও চলে থাকে।


এছাড়াও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘটনা অনেক অপরাধমূলক কাজের দৃষ্টান্ত রয়েছে। যেমন: যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন 13 বছর বয়সী স্কুল ছাত্র তাদের স্কুলে বোমা সেট করে রাখে. যা তারা পড়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফাটায়। আবার বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দ্রুত বাসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রেরিত গোপন তথ্য ফাঁস হয়েছিল বলেও জানা যায়।

উপসংহারঃ বিংশ শতাব্দীর উপহার ইন্টারনেট। ইন্টারনেট বিশ্বের এক প্রান্তের মানুষের সাথে অন্য প্রান্তের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা অভাবনীয় রূপে সহজ করে দিয়ে গোটা বিশ্বকে একটি পরিবারে পরিণত করেছে। বাংলাদেশ সহ তৃতীয় বিশ্বে এর ছোঁয়া লাগতে মাত্রা খুবই কম। আগামী দিনে ইন্টারনেট ব্যবহারের উন্নত বিশ্বের সাথে আমরা তাল মিলাতে পারবো আজকের দিনে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

লেখকের মন্তব্য

এতক্ষণ আমরা তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা তুলে ধরেছে এবং এর সাথে সম্পর্কিত আরো একটি রচনা ইন্টারনেট বা ইন্টারনেটে তথ্য বিপ্লব ও বাংলাদেশ সম্পর্কে রচনা তুলে ধরলাম। আশা করি আপনার প্রয়োজন অনুসারে আপনি এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ করেছেন। আপনার প্রয়োজন অনুসারে আপনি এখান থেকে রচনা লিখতে পারেন।

তবে আপনি চাইলে আমাদের এই রচনাটিকে সংক্ষিপ্ত আকারেও লিখতে পারেন কিছু কিছু কথা বাদ দিয়ে। আশা করি আপনি সম্পূর্ণ রচনা করেছেন। তবে আপনার যদি কোন মতামত থাকে তাহলে মন্তব্য করুন অপশন থেকে আপনার মূল্যবান মতামতি জানিয়ে দিবেন। এ আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার বন্ধুবান্ধবদের কাছে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ইভিভিটিভি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়;

comment url