বাংলাদেশের প্রাকৃতি সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে চিঠি বা পত্র লেখ
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যর বর্ণনা দিয়ে চিঠি বা পত্র লিখন যদি আপনি নিতে চান বা নমুনা দেখতে চান তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই আর্টিকেলের মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে চিঠি বা পত্র লেখন। আমরা চিঠিটি খুব সহজ ভাবে এবং সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে তৈরি করেছি আপনার জন্য।
আমরা এখানে দুটি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে চিঠি বা পত্র লিখে দিয়েছি। ন যা আপনার খুবই উপকারে আসবে। আপনি নিচের দুটি চিঠি বা পত্রটি করতে পারেন।
সূচিপত্র : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে চিঠি বা পত্র লেখক
ইভিভিটিভি
ভূমিকা
আপনারা অনেকেই আপনাদের বিদেশি বন্ধুবান্ধবদের জন্য অথবা যে কোনও জায়গায় বন্ধুবান্ধবদের জন্য বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে চিঠি বা পত্র লিখতে চান। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে চিঠি বা পত্র লিখে দিয়েছি।
আরো পড়ুন : প্রধান শিক্ষকের কাছে দরখাস্ত লেখার নিয়ম
এরপর আমরা এটুকু উল্লেখ করেছি কী ভাবে আপনি সেই চিঠি আপনার বন্ধু বান্ধবদের কাছে পাঠাতে পারবেন। অথবা আপনার পরীক্ষার খাতায় যদি এই বিষয়ে কোনো চিঠি বা পত্র লিখতে বলে তাহলে আপনি নিচের চিঠি বা পত্রটি লিখতে পারেন। নিচে আমরা দুটি চিঠি পত্র তুলে ধরেছি।
দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে চিঠি বা পত্র লিখন
তারিখ: ২৫ শে মার্চ ২০২৬
ঢাকা
প্রিয় রিচার্ড
পত্রের প্রথমে আমার একরাশ প্রীতি ও শুভেচ্ছা রইল। অনেকদিন পর গতকাল তোমার চিঠি পেলাম। চিঠিতে জানতে পারলাম, তুমি বাংলা পড়তে ও লিখতে পারো। তাই এই চিঠি বাংলায় লিখেছি। এতদিনে চিঠিগুলোতে শুধু জানতে চেয়েছ আমার সম্পর্কে আরে প্রথম জানতে চাইলে আমার দেশ, আমার দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিয়ে। তোমার আগ্রহ আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে অনেক কিছু লিখবার। কিন্তু বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দৃশ্য ভাষায় আর কতটুকুই বা ফুটিয়ে তোলা যায়।
তুমি মানচিত্রে অবশ্যই খেয়াল করেছ বাংলাদেশ বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ। আমাদের দেশের মতো এমন সুন্দর দেশ বিশেষ কি আর কোথাও আছে। ষড়ঋতু এ দেশে একেক ঋতুতে একেক রকম সাজে সজ্জিত হয় । একেক ঋতুর ফুল একেক রকম। এদেশের সব জেলাতেই ছড়িয়ে আছে নদী। যেন নদীর বুকে এদেশের ভাসমান । অসংখ্য খাল বিল, নদীতে জেলেদের মাছ ধরা নৌকা আর পাল তুলে মাঝির দার টানার দৃশ্য যে কি অপূর্ব হতে পারে তা নিজেই না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।
তাছাড়া বাংলাদেশের যেদিকে চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। প্রকৃতি যেন নিজ হাতে প্রাণ ভরে দান করেছে এই তরুণের প্রতীক। ফসল তোলার সময়ে এ সবুজ মাঠে রূপান্তরিত হয় সোনালী প্রান্তরে। মাঠে মাঠে ছড়িয়ে থাকে সোনা আর সোনা। তুমি তো জানো, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত এ দেশে অবস্থিত। বিশাল এ সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে পার্থিব ক্ষণস্থায়ী জীবন যেন হঠাৎ করে হোঁচট খাই। আরো রয়েছে পাহাড়ে শহর সিলেট। এখানে শ্রীপুর নামে একটা জায়গা রয়েছে, শিলং পাহাড়ের খুব কাছাকাছি। এশিয়ান হাইওয়ে যখন পাহাড়ের উদ্দেশ্যে চলে তখন মনে হয় আর কিছুক্ষণের মধ্যে আকাশ ছুঁয়ে যাব। শ্রীমঙ্গলে রয়েছে একটি জলপ্রপাত মাধবকুণ্ড সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়া থেকে যখন প্রচন্ড বেগে পানি পড়ে তখন তারা দেখে কোন আগন্তুক বিমোহিত না হয়ে পারেন না। শুধু প্রাকৃতিক নয়, বরং ঐতিহাসিক স্থানেও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। শীতের অধিক পাখিরাও যখন শীতের চাদর মরা বাংলায় আসে তখন যে কি অনেক ভালো লাগে।
আচ্ছা বন্ধু, একবার বেড়াতে এসো না, এ প্রকৃতিক কন্নার কোলে নিশ্চয়ই মজা হবে। তোমার মঙ্গল কামনা করে এখানেই শেষ করছি।
ইতি তোমার বন্ধু
ইমন
ডাকটিকেট
প্রাপক ১:
ইমন
১২৩ মেইন স্ট্রিট
শহর, রাজ্য, ১২৩৪৫
|
প্রাপক ২:
রিচার্ড
৪৫৬ এলম স্ট্রিট
শহর, রাজ্য, ৬৭৮৯০
|
বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত রচনা প্রবাসী বন্ধুর জন্য
আরো পড়ুন : মোবাইল ফোনের উপকারিতা বিতর্ক প্রতিযোগিতা
বাংলাদেশের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে কোন প্রবাসী বন্ধুর কাছে একটি পত্র লিখ
ঢাকা বাংলাদেশ
১ লা ফেব্রুয়ারি ২০২৫
প্রিয় ক্যাথরিন
প্রীতি ও শুভেচ্ছা নিও। গতকাল তোমার চিঠি পেয়েছি। তুমি আমাদের দেশ সম্বন্ধে জানতে চেয়েছ। তুমি তো জানোই আমার দেশের নাম বাংলাদেশ। অনেক রক্তের বিনিময়ে আমরা আমাদের এই দেশ পেয়েছি। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আমরা অনেক প্রিয় জনকে হারিয়েছি।
ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকই গ্রামে বসবাস করে। কৃষিই তাদের প্রধান জীবিকা। আমাদের দেশের মাটি খুবই উর্বর। বপন করলে সেখানে সোনার ফসল । ধান , পাট, গম, আলু, ইত্যাদি বাংলাদেশের প্রধান কৃষিজাত ফসল। এদেশের জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় ফল কাঁঠাল, জাতীয় পাখিদের, জাতীয় মাছ ইলিশ। এদেশের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো নয়নাভিরাম প্রকৃতি দৃশ্য। আঁকাবাঁকা নদী, নদীর বুকে পাল তোরা নৌকা, ঘন অরণ্য, নীল আকাশের পাখি ডানা মেলে উড়ে বেড়ানো ইত্যাদি মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সবাইকে মুগ্ধ করে। বহু নদ নদী এদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত। এত এত বেশি নদী আমাদের জীবনের সঙ্গে নিবিড় ভাবে যুক্ত হয়ে আছে বলেই এ দেশটি নদীমাতৃক দেশ। দেশে দক্ষিণ দিয়ে সুনীল চাদর বিছিয়ে রেখেছে বঙ্গোপসাগর ে, ভারী সুন্দর আমাদের এই দেশ। এ দেশের সবুজ মাঠে শোভা বাস্তবিক মুগ্ধ করে। বাংলাদেশ ষড়ঋ ঋতুতে ঋতুতে রূপের পালা বদল ঘটেতুর দেশ এদেশে প্রকৃতিতে। সময় হলে একবার এসে দেখে যাও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এ লীলা নিকেতন।
আমাদের দেশে আসার জন্য তোমাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। এস দেখে যেও আমাদের মাতৃভূমি। আজ এখানেই শেষ করছি।
ইতি
তোমার বন্ধু
ইমন
ডাকটিকেট
প্রাপক ১:
ইমন
১২৩ মেইন স্ট্রিট
শহর, রাজ্য, ১২৩৪৫
|
প্রাপক ২:
ক্যাথরিন
৪৫৬ এলম স্ট্রিট
শহর, রাজ্য, ৬৭৮৯০
|
লেখকের মন্তব্য
নয় আমরা এতক্ষণ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে চিঠি লেখার পুরো ফরম্যাটটি দেখেছে এবং এই বিষয়ে একটি চিঠিও লিখে গিয়েছে। একটি নয় আমরা দুটি বিদেশি বন্ধুর জন্য চিঠি লিখে দিয়েছি। উপরের আর্টিকেলটি বা উপরের চিঠিটি আপনি সম্পূর্ণ দেখেছেন। ন হবে উপরোক্ত চিঠিটি আপনি যদি পরে পরীক্ষার খাতায় দেখেন তাহলে আপনি সর্বোচ্চ মার্কিন নিশ্চিত করতে পারবেন।
আপনার পরিচিত আত্মীয়স্বজন অথবা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে শেয়ার করুন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইট প্রতিদিন ভিজিট করুন। কারণ আমরা এরকম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রতিদিন প্রকাশ করে থাকি। উত্তরের চিঠি পড়ার পর যদি আপনার কোনও কিছু জানার প্রয়োজন হয় বা কোনো কিছু মন্তব্য থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে মন্তব্য করুন। অপশন থেকে আপনার মূল্যবান মতামতটি জানিয়ে দেবেন। ধন্যবাদ। আমাদের সঙ্গে এতক্ষণ থাকার জন্য।
ইভিভিটিভি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়;
comment url